রুনু ভট্টাচার্য’র কবিতা “অগ্নিবীণা—আগুন নয়”

রুনু ভট্টাচার্য
অগ্নিবীণা—আগুন না
যারা অগ্নিবীণার আগুনে শুধু পোড়ায়—
সৃষ্টি করে না, শুদ্ধ করে না, শুদ্ধতা আনতে—
অশুদ্ধের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে না, তাদের ভুল শুধরাতে উৎসর্গ।
অগ্নিবীণা অগ্নিতে পুড়াবে, এমন তো কথা ছিলো না,
যে অগ্নি সৃষ্টি করে না, সে অগ্নি পীড়নে রবে দেনা,
সোনার রঙ হলেই তাকে, বলা যাবে কি সোনা?
বীণার ঝংকার অগ্নিময়, সে তো বিদ্রোহের সুরে মাতানো
সেই বীণাতেই বিরহ তোলে, সুরের মগ্নতায় হৃদয় কাঁপানো
তবে কেনো শুধু অগ্নিবীণাতে, নীতিহীন সাগরে ভাসানো?
বীণা যখন বিদ্রোহ সুরে, স্বাধীনতা আনতে চায়
তখনই বীণা যোদ্ধা রূপে, অগ্নিবীণার নাম পায়
অগ্নিতে সৃষ্টি নিখাদ নীতি,।তবেই সে অগ্নি সফলতায়।
অগ্নির মাঝে যে ধর্ম আছে, সে শুধু তাপে আদর্শয়ান,
অগ্নিকে নিয়ে যে কাজ করে, তার ব্যবহারে পদায়ন,
অগ্নিতে যদি নীতি দগ্ধ হয়,।তবে সে অগ্নি ধ্বংস কারণ।
কী আছে অগ্নির গুণ মাঝে, সেটা বুঝে অগ্নি ধর
অগ্নিসংযোগে নয়, নীতির অগ্নিতে, কলুষিত মুক্ত কর
তবেই হবে স্বার্থক জনম, নইলে সেই অগ্নি রবে চিত্তের পর।
সাহিত্য ধরাতে মহান কবি নজরুল শেখালেন—
অগ্নিবীণাতে নীতির যোদ্ধা, বিদ্রোহে মাতালেন
সে নীতিতে যারা নেই, তারাই মানুষ ঠকালেন।
রুনু ভট্টাচার্য
কবি
মথুরা, উত্তরপ্রদেশ, ভারত।
dailykagojkolom.com এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।